ধর্মীয় স্থানে অনুমতি বিনা বাজানো যাবে না লাউডস্পিকার, আজান বিতর্কে নতুন নির্দেশ জারি মহারাষ্ট্র প্রশাসনের

আজান বিতর্কে নয়া মোড়! অনুমতি ছাড়া লাউডস্পিকার বাজানোতে নিষেধাজ্ঞা জারি মহারাষ্ট্রের

ধর্মীয় স্থানে অনুমতি বিনা বাজানো যাবে না লাউডস্পিকার, আজান বিতর্কে নতুন নির্দেশ জারি মহারাষ্ট্র প্রশাসনের

লাউডস্পীকার (LOUDSPEAKER)  ব্যবহার করে আজান দেওয়ার বিষয়টি ঘিরে যথেষ্ট চাঞ্চল্যের সূত্রপাত হয়েছে।

মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা প্রধান রাজ ঠাকরের (RAJ THAKREY)  বক্তব্যে যথেষ্ট বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।  মহারাষ্ট্রের নবনির্মান সেনা প্রধান রাজ ঠাকরে বলেছেন, মসজিদের উপরে লাগনো লাউডস্পীকারের মাধ্যমে উচ্চস্বরে আজান দেওয়া হয়। এই বিষয়টি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।

এর জন্যে মহারাষ্ট্র সরকারকে ৩ রা মে (MAY)  পর্যন্ত সময়সীমা নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন রাজ ঠাকরে। যদি লাউডস্পীকার খোলা না হয় তাহলে মসজিদের সামনে হনুমান চাল্লিশা বাজানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন রাজ ঠাকরে।এবার এই প্রসঙ্গে মধ্যপ্রদেশের বিজেপির বিধায়ক রামেশ্বর শর্মা (RAMESWAR SHARMA)  বলেছেন, "লাউডস্পিকার এর ক্ষেত্রে আদালতে নির্দেশিকা অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে ।

আজানের সময় এই নিয়মের অন্যথা একদমই হওয়া উচিত নয়। না হলে সে উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র অথবা মধ্যপ্রদেশ  যেখানেই হোক, সব জায়গায় লাউডস্পিকারে হনুমান চাল্লিশা পাঠ করা হবে। এটা অবশ্যই বুঝতে হবে যে, লাউডস্পিকারে আজান দিলেই আল্লাহকে পাওয়া যাবে না।"  এদিকে এই আবহের মধ্যে অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর একটি নির্দেশ জারি করেছে মহারাষ্ট্র প্রশাসন।

কি ঘোষণা করেছে মহারাষ্ট্র প্রশাসন? :

আজ মহারাষ্ট্র প্রশাসন ঘোষণা করেছে এবার থেকে ধর্মীয় স্থানে লাউডস্পিকার ব্যবহারের জন্য বাধ্যতামূলক ভাবে অনুমতি নিতে হবে। ‌ অন্যদিকে অশান্তি যাতে না হয় তার জন্য নাসিক পুলিশ একটি নির্দেশিকা জারি করেছে যেখানে ঘোষণা করা হয়েছে মসজিদের 100 মিটারের মধ্যে হনুমান চাল্লিশা পাঠ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মহারাষ্ট্রে আজ বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবার থেকে রাজ্যে ধর্মীয় স্থানে লাউডস্পিকার ব্যবহারের জন্য অনুমতি নিতে হবে। ‌ এই সমস্ত নির্দেশিকা সমস্ত পুলিশ কমিশনার এবং জেলা আধিকারিকদের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

নাসিক পুলিশ আজ একটি নির্দেশিকা জারি করে বলেছে লাউডস্পিকার ব্যবহারের জন্য আগামী 3 মে'র (MAY)  মধ্যে ধর্মীয় স্থান গুলিকে আবেদন জানাতে হবে। এই আবেদন যদি না মানা হয় তাহলে কড়া ব্যবস্থা গৃহীত হবে। মসজিদের 100 মিটারের মধ্যে কোন ভাবেই হনুমান চালিশা পাঠ করা যাবে না। আজানের আগে ও পরে 15 মিনিটের মধ্যে হনুমান চালিশা পাঠ বা ভজনের অনুমতি প্রদান করা হবে না। মহারাষ্ট্র প্রশাসনিক কি নির্দেশ কে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মহারাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, "আমরা আমাদের রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উপর সর্বদাই কড়া নজর রেখে চলেছি।"