Home আন্তর্জাতিক পাকিস্তানের বিমান ঘাঁটিতে চীনা বিমান! তবে কি অন্য পথে হামলার আশঙ্কা?

পাকিস্তানের বিমান ঘাঁটিতে চীনা বিমান! তবে কি অন্য পথে হামলার আশঙ্কা?

Dainik khabor :-  চীনের সঙ্গে ভারতের মূল শত্রুতা শুরু হয় চীনের রাস্তা তৈরি করাকে কেন্দ্র করে। চীন ভারতের ডোকলাম অঞ্চল হয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে একটি রাস্তা বানানোর চেষ্টা করে। কিন্তু ভারতের সেনারা সেটি আটকে দেয়। এর পরেই চীন ফুলে  উঠতে থাকে ভারতের উপর। পরবর্তীকালে চীন এবং ভারতের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হলো ও, জিনের আসল রূপ দেখা যায় যখন লাদাখে রাস্তা তৈরি শুরু করে। ঠিক তখনই চীন-ভারতের রাস্তা তৈরি আটক করার চেষ্টা করে। চীনা সেনারা ভারতের লাদাখের কিছুটা অংশে প্রবেশ করা যায়। ভারতের সেনারা ও পিছিয়ে যায়নি. চীনা সেনাদের কে আটক করে দেয়। যার ফল স্বরূপ ভারতের কর্নেল সন্তোষ বাবু সহ কুড়ি জন সেনাকে শহীদ হতে হয়।

ভারত চীনের ভারত চীনের মধ্যে এই সম্পর্ককে টিকিয়ে রাখার জন্য দুই দেশেই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসে। কিন্তু কোন লাভ হয়নি, গতকাল তৃতীয় পর্যায়ের বৈঠক হলেও সেই বৈঠকে কোন সুরাহা মিলেনি। বরংচ  চিন দাবি করেছে ভারত যাতে লাদাখ থেকে সেনা কমিয়ে নেয়। কিন্তু ভারতে সেটি মানতে নারাজ, যুদ্ধের অস্ত্র শস্ত্র সহকারের সেনা বাড়াতে থাকে। এই দিকে চীন ও এল এসি বরাবর প্রায় কুড়ি হাজার সেনা মোতায়েন করে।

এইসবের মাঝেই ভারত আবার চীনা অ্যাপস বন্ধের কথা জানায়। এইসবের জন্যই বিভিন্ন ভাবে বুদ্ধি চালাতে থাকে। এসবের কারণে হয়তো কাশ্মীরের পাকিস্তান বিমান ঘাঁটিতে চীনা বিমান প্রবেশ করায়। কারণ চীন জানে যে, পাকিস্তানের ঘাঁটি থেকে যদি ভারতকে আক্রমণ করা যায়. তাহলে ভারত যদি সেই ঘাঁটি আক্রমণ করে। তাহলে পাকিস্তান ও ভারতের উপর হামলা চালাবে।

আর এই দিকে চীনের যত বিমান ঘাঁটি রয়েছে সেটি ভারতের লাদাখ থেকে অনেকটাই দূরে। কিন্তু কাশ্মীরে পাকিস্তানের এই স্কার্দু বিমান ঘাঁটিতে ভারতের থেকে খুবই কাছে, এমনকি লাদাখ সীমান্ত থেকে ১০০ কিলোমিটারের মধ্যেই। একটি সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা যায় যে, এই স্কার্দু বিমানবন্দরে চীন কুড়িটি জেড প্লেন নিয়ে আসে। আর এই বিমানটি পাহাড়ের কোলে অনেকটাই বড়, যেখান থেকে বিমান উঠানামা খুবই সহজ। তবে ভারত ও দুই সীমান্ত তেই প্রস্তুত রয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

শীর্ষ সংবাদ

- Advertisement -

অন্য রকম