মমতা ও পিকে-কে দিয়ে কংগ্রেস-মুক্ত ভারত গড়ছে বিজেপি! দাবি কংগ্রেসের

মমতা ও পিকে-কে দিয়ে কংগ্রেস-মুক্ত ভারত গড়ছে বিজেপি! দাবি কংগ্রেসের

কংগ্রেসের তরফে অভিযোগ করা হচ্ছে, কংগ্রেস-মুক্ত ভারত গড়তে পারেনি বিজেপি। বিজেপি এখন সেই কাজ করতে চাইছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও প্রশান্ত কিশোরকে দিয়ে।

প্রশান্ত কিশোর ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উভয়েরই পুরনো যোগসূত্র রয়েছে বিজেপির সঙ্গে। তাদেরকে কাজে লাগিয়ে কংগ্রেসকে দুর্বল করে বিজেপি রাজ্যে রাজ্যে ক্ষমতা নিশ্চিত করতে চাইছে। এমনকী ২০২৪-এও টিকে থাকতে কংগ্রেসকে দুর্বল করা তাদের লক্ষ্য। প্রশান্ত কিশোর ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করতে তা করে চলেছেন অবলীলায়।

বিজেপির অসম্পূর্ণ কাজ কি সম্পূর্ণ করতে চাইছে তৃণমূল

বিজেপির সেই অসম্পূর্ণ কাজ কি তৃণমূল করতে চাইছে বা তৃণমূলকে দিয়ে সেই অসম্পূর্ণ কাজ করিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে, সেই প্রশ্ন উঠে পড়েছে তৃণমূলের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অবস্থান বদলে। বিশেষ করে জাতীয় রাজনীতির ক্ষেত্রে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতি যেরূপ অবস্থান নিয়েছে, তাতে কংগ্রেসকে হারানোই যেন বিভিন্ন রাজ্যে তাঁদের লক্ষ্য তা প্রতিপণ্ন হচ্ছে।

বহু কংগ্রেস নেতার তৃণমূলে যোগদান

জাতীয়স্তরের বহু কংগ্রেস নেতা যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে। তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদানকারী কংগ্রেস নেতাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় নাম হলেন মহিলা কংগ্রেসের সভানেত্রী সুস্মিতা দেব। তারপর রয়েছেন গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও কংগ্রেস নেতা লুইজিনহো ফেলেইরো, প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের ছেলে অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়, ললিতেশপতি ত্রিপাঠী। ললিতেশপতি প্রবীণ কংগ্রেস নেতা কমলাপতি ত্রিপাঠীর নাতি। এর মধ্যে সুস্মিতা ও ফেলরিওকে রাজ্যসভার সাংসদও করেছে তৃণমূল। এছাড়া অনেক দ্বিতীয় সারির নেতা রয়েছেন, যাঁরা কংগ্রেস ছেড়ে ইতিমধ্যে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।

প্রশান্ত কিশোর মমতার মিশন ২০২৪-এর পরিচালক


মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তাঁর মিশন ২০২৪-এ কৌশলী উপদেষ্টা হিসেবে প্রশান্ত কিশোরকে পেয়েছেন। তিনি বাংলার নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রভূত সাফল্য এনে দিয়েছেন। বিজেপিকে হারিয়ে তিনি মমতার পক্ষে জাতীয় রাজনীতিতে কাজ শুরু করেছেন বলেন রাজনৈতিক মহলের অভিমত। দেশের সব আঞ্চলিক দলের নেতাদের নিয়ে তিনি কাজ করছেন। এ প্রসঙ্গে দিল্লিতে শারদ পাওয়ারের বাড়িতে একাধিক বৈঠকও করেছিলেন প্রশান্ত কিশোর। সেখানে শারদ পাওয়ার, যশবন্ত সিনহা থেকে শুরু করে বহু আঞ্চলিক দলের নেতারা ছিলেন।