গ্যাস ডেলিভারির নামে ফাঁকা বাড়িতে ঢুকে কিশোরীর শ্লীলতাহানি, অভিযুক্ত কায়ুম মোল্লাকে গণধোলাই এলাকাবাসির

গ্যাস সিলিন্ডার ডেলিভারি করতে গিয়ে ফাঁকা বাড়িতে একা কিশোরীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ ডেলিভারি ম্যানের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের সতীশ সেন পল্লির ঘটনা। অভিযুক্ত কায়ুম মোল্লা নামে ওই যুবককে ধরে গণধোলাই দেন স্থানীয়রা। পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে

গ্যাস ডেলিভারির নামে ফাঁকা বাড়িতে ঢুকে কিশোরীর শ্লীলতাহানি, অভিযুক্ত কায়ুম মোল্লাকে গণধোলাই এলাকাবাসির

ঘরে ঢুকে দশম শ্রেণির ছাত্রীকে হঠাৎ জড়িয়ে ধরে কায়ুম। বিপদ বুঝে তারস্বরে চিৎকার করতে থাকে কিশোরী। অভিযোগ, হাতে টাকা গুঁজে দিয়ে পালায় অভিযুক্ত। ওদিকে কিশোরীর চিৎকার শুনে বাড়িতে ছুটে আসেন প্রতিবেশীরা। খোঁজ শুরু হয় কায়ুম মোল্লার।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, কিশোরীর মা পরিচারিকার কাজ করেন। রোজের মতো বৃহস্পতিবারও কাজে গিয়েছিলেন তিনি। বাড়িতে ছিল ২ মেয়ে। দুপুরে বাড়িতে গ্যাস সিলিন্ডার পৌঁছে দিতে যায় কায়ুম। বাড়িতে তখন ছিল বড় মেয়ে। অভিযোগ ঘরে ঢুকে দশম শ্রেণির ছাত্রীকে হঠাৎ জড়িয়ে ধরে কায়ুম। বিপদ বুঝে তারস্বরে চিৎকার করতে থাকে কিশোরী। অভিযোগ, হাতে টাকা গুঁজে দিয়ে পালায় অভিযুক্ত। ওদিকে কিশোরীর চিৎকার শুনে বাড়িতে ছুটে আসেন প্রতিবেশীরা। খোঁজ শুরু হয় কায়ুম মোল্লার।

বেশ কিছুক্ষণ পর অভিযুক্তকে খুঁজে পায় স্থানীয়রা। এর পর শুরু হয় গণধোলাই। এমনকী পুলিশ এসে পৌঁছলেও মার থামেনি। এর পর অভিযুক্তকে উদ্ধার করে নিয়ে যায় পুলিশ।

কিশোরীর মা জানিয়েছেন, আমি পরের বাড়িতে কাজ করি। মেয়েরা একাই বাড়িতে থাকে। গ্যাস সিলিন্ডার ডেলিভারির নাম করে বাড়িতে ঢুকে আমার মেয়ের শ্লীলতাহানি করেছে কায়ুম মোল্লা। আমি তার শাস্তি চাই।