Home রাজ্য বাড়ি থেকে হাত পা বেঁধে গৃহবধূকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে উত্তাল হাড়োয়া!

বাড়ি থেকে হাত পা বেঁধে গৃহবধূকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে উত্তাল হাড়োয়া!

দৈনিক ডেস্ক: রাজ্যে একের পর এক গণধর্ষন হয়েই চলছে, যার জেরে একাধিকবার রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা নিয়ে শাসকদলের ওপর অভিযোগ এনেছে বিরোধী শিবির। বেশ কয়েকদিন আগেই মাম্পি সিংহ নামে এক রাজবংশী নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনা রাজ্যের মানুষদের লজ্জিত করে। আজ সকালেও মহিলাকে ধর্ষণের আরও একটি ঘটনা জানা যায়,হাড়োয়া থানার অন্তর্গত গোপালপুরে এক অধিবাসী মহিলাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ আসতেই ঘটনায় গোটা এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়ায় এমনকি দোষীদের শাস্তির দাবীতে সাধারণ মানুষের বিক্ষোভের চিত্রটাও উঠে আসে।

ঘটনার সূত্রপাত, বসিরহাটের অন্তর্গত হাড়োয়া থানার গোপালপুর ১নম্বর গ্রামপঞ্চায়েতের মুন্সিগিরিতে ২৮বছরের এক গৃহবধূ যাকে ভোর রাত থেকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিলো না, এর পরেই তার স্বামী আসে পাশে তার স্ত্রীকে খোঁজে কিন্তু বেশ কিছুক্ষন খুঁজে না পেতেই এরপরে পাড়ার লোকেদের ডাকাডাকি করে ঘটনাটি জানান, পাড়ার লোকেরাও রীতিমতো ওই গৃহবধূকে খুঁজতে শুরু করে পরে ভোরেরদিকে খবর পাওয়া যায় মেছো ভেরির কর্মীরা হাত-পা বাধা অচৈতন্য অবস্থায় এক মহিলাকে পড়ে থাকতে দেখে,পরে খবর পেয়ে পরিবারের লোক সহ গ্রামের লোকেরা দৌড়ে সেখানে আসে এবং মহিলাকে সনাক্ত করে সাথে সাথেই হাড়োয়া স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়।কিন্তু আঘাত গুরুতর হওয়াতে মহিলাকে সাথে সাথে চিকিৎসকেরা বসিরহাট জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়।

এর পরেই আক্রান্ত ঐমহিলা জানান,রাতে তার বাড়ির পাশে বোমা মারে দুষ্কৃতীরা এর পরেই বোমার আওয়াজে বেরিয়ে আসলেই দুষ্কৃতীরা তাকে মুখে কাপড় বেঁধে তুলে নিয়ে যায় এবং তার হাত পা বেঁধে ভেড়িতে নিয়ে গিয়ে প্রচন্ড মারধোর করে বলে অভিযোগ করে ঐ মহিলা। মহিলা চারজন অভিযুক্তর নাম বলেন, জানা গিয়েছে সেই অভিযুক্ত চারজনের বাড়ি একই গ্রামে। অভিযুক্ত ৪জনের বিরুদ্ধে হাড়োয়া থানায় গণধর্ষণের মামলা করা হয়েছে,বর্তমানে সেই অভিযুক্তরা গ্রাম ছেড়ে পালিয়েছে, তবে পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমেছে।

ঘটনায় নির্যাতিত মহিলার স্বামী উপযুক্তদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।এর পরেই গ্রামবাসীরা ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে রাস্তা অবরোধ করেছে। এর পরেই পুলিশের দ্বারা অভিযুক্তদের শাস্তির ব্যবস্থা করার আশ্বাস পেতেই গ্রামবাসীরা বিক্ষোভ কর্মসূচী তুলে নেয়, তবে ঘটনায় এখনো গোটা গ্রামের মানুষ ক্ষিপ্ত রয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

শীর্ষ সংবাদ

- Advertisement -

অন্য রকম