‘অসমে নিষিদ্ধ হচ্ছে বোরখা, এটা ভারতীয় সংস্কৃতির পরিপন্থী’, মন্তব্য মুখ্যমন্ত্রীর রাজনৈতিক সচিবের

২০১৯ সালে শ্রীলঙ্কায় বোরখা নিষিদ্ধ করা হয়। তারপর একই দাবি ওঠে ভারতে।

‘অসমে নিষিদ্ধ হচ্ছে বোরখা, এটা ভারতীয় সংস্কৃতির পরিপন্থী’, মন্তব্য মুখ্যমন্ত্রীর রাজনৈতিক সচিবের
বোরখা নিষিদ্ধ হচ্ছে আসামে

অসমে নিষিদ্ধ করা হবে বোরখা। এমনই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার রাজনৈতিক সচিব তথা নলবাড়ির বিজেপি বিধায়ক শ্রী জয়ন্তমল্ল বরুয়া। তাঁর কথায়, ‘বোরখা ভারতীয় সভ্যতা-সংস্কৃতির পরিপন্থী। তাই রাজ্যে বোরখা পরা নিষিদ্ধ করা হবে’।

২০১৯ সালে শ্রীলঙ্কায় বোরখা নিষিদ্ধ করা হয়। তারপর একই দাবি ওঠে ভারতে। বোরখার আড়ালে জঙ্গিরা আত্মগোপন করে বলেও দাবি করেছিল শিবসেনা। এমনকী একুশের বিধানসভা ভোটে বাংলায় ছাপ্পা ভোট আটকাতে বোরখা পরে বুথে ঢোকার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার দাবি তুলেছিল বিজেপি। এই নিয়ে বিতর্কো কম হয়নি।

এবার পড়শি রাজ্য আসাম বোরখা নিষিদ্ধ করার পথে হাঁটতে চলেছে। জয়ন্তমল্ল বরুয়া বলেন, ‛বোরখা ভারতীয় সভ্যতা-সংস্কৃতির পরিপন্থী। বোরখা নারীরূপী দেবীর অধিকার খর্ব করেছে। ধর্মীয় গোঁড়ামি নেই এমন মুসলিমরাও বোরখা পরার বিরোধিতায় বরাবর সরব হয়েছেন। তাই এটি বন্ধ হওয়া উচিত’।

এই প্রথা বন্ধ করতে মুসলিম সমাজের লোকেদের এগিয়ে আসতে হবে বলে জানান তিনি। কারণ হিসেবে জয়ন্তমল্ল বরুয়া বলেন, ‛মুসলিমদের বোঝা উচিত যে বোরখা ভারতীয় সংস্কৃতিতে গ্রহণযোগ্য নয়। তাই তাদেরকেই এই বোরখা প্রথার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। কারণ হিন্দুরা এর বিরুদ্ধে কথা বললে তা ধর্মীয় আক্রমণ হিসেবে প্রচার করা হবে। তাই নারীর যদি মর্যাদা চান, তবে মুসলিম সমাজকে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।’