fbpx
Friday, July 23, 2021
Homeরাজ্যনিজের ভাতার টাকাও মানুষের জন্য খরচ করব,শালতোরার প্রার্থী

নিজের ভাতার টাকাও মানুষের জন্য খরচ করব,শালতোরার প্রার্থী

নিজের ভাতার টাকাও মানুষের জন্য খরচ করব,শালতোরার প্রার্থী

একুশের বিধানসভা নির্বাচন এর প্রার্থী নির্বাচনও ছিল বেশ চমকপ্রদ। একদিকে সব নামিদামি তারকা তো ওপর দিকে একদম সাধারণ ঘরের নারী ও পুরুষ। এক সাধারণ ঘরের বধূ চন্দনা বাউরি শালতোড়া কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী ছিলেন । বিজেপি দল থেকে তিনি প্রার্থী নির্বাচন এর পর তিনি জানিয়েছিলেন , ” তিনি সৌভাগ্যবতি ভারতের অন্যতম বিজেপি তাকে লড়াই এর সুযোগ করে দিয়েছেন। ” চন্দনার সংসারে ছিল না অর্থনৈতিক স্বচ্ছল। চন্দনা বাউরির স্বামী একজন রাজমিস্ত্রি। স্বামীর সঙ্গে তিনি জোগান দেওয়ার কাজ করতেন।চন্দনার বাড়িতে ছিল না কোনো শৌচাগার। সংসার চলতো খুব কষ্ট করে যেন নুন আনতে পান্তা ফুরোয়।

 

 

 

ভোটের প্রার্থী হিসেবে নিযুক্ত হওয়ার পর তার প্রচারের যাত্রাও ছিল কষ্টকর। সে জানিয়েছিল , ” তিনি সকালে পান্তা খেয়ে প্রচারে বেরিয়ে যেতেন , তার স্বামীও তার সঙ্গে প্রচারে বের হত। সেই অভাব সংসার এর বধূ চন্দনা বাউরি শালতোড়া কেন্দ্রের ৪১৪৫ ভোটে জয়ী হলেন। তিনি ওই এলাকার বাসিন্দাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার নিয়েই রাজনৈতিক ময়দানে নেমেছিল। ভোটে জয়লাভ এর পর এলাকার বাসিন্দারা চন্দনাকে বলে , ” বিধায়ক তো হয়ে গেছিস এবার মোটা টাকা ভাতা পাবি। ” এর উত্তরে চন্দনা বলেন , ” কত টাকা ভাতা পাব তা আমি জানি না তবে সেই ভাতার এক টাকাও নিজের জন্য খরচ করবো না আমি। পাড়া প্রতিবেশী ও আমার কেন্দ্রের গরিবের জন্য ওই টাকা খরচ করবো।

 

 

চন্দনা বলেন , বিধানসভা গিয়ে আমার এলাকার মানুষের কাজের দাবী জানাবো আমি। শাসক দল আমার কথা কতটা শুনবে তা জনি না তবে আমি আমার চেষ্টা চালিয়ে যাবো। চন্দনা বলেন , যারা যারা উন্নয়ন হয়েছে বলে চিৎকার করেন তারা আমাকে নিয়ে ঘুরুন উন্নয়ন কাকে বলে আমি তার আসল রূপ দেখিয়ে দেব। চন্দনা এলাকা বাসির কথার প্রতিবাদ করে আরও বলেন , প্রয়োজনে আমি আবারও স্বামীর সঙ্গে গিয়ে রাজমিস্ত্রি কাজ করবো। ওই কাজ করায় আমার কোনো লজ্জা নেই। কোনো মতে খেয়ে বাঁচবো তুবু বিধানসভা গিয়ে শালতোড়ার মানুষের কথা ভুলব না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

শীর্ষ সংবাদ

অন্য রকম