fbpx
Friday, July 30, 2021
Homeভাইরাল খবরএ যেন চন্দনা বাউড়ি! উত্তরপ্রদেশে সাফাইকর্মীর স্ত্রী হলেন ব্লক প্রধান!

এ যেন চন্দনা বাউড়ি! উত্তরপ্রদেশে সাফাইকর্মীর স্ত্রী হলেন ব্লক প্রধান!

এ যেন চন্দনা বাউড়ি! উত্তরপ্রদেশে সাফাইকর্মীর স্ত্রী হলেন ব্লক প্রধান!

ভারতীয় জনতা পার্টি রাজনৈতিক বিশ্বে অজানা অথচ পরিশ্রমী মুখকে স্থান দেওয়ার জন্য পরিচিত। সর্বশেষ উদাহরণ বিজেপির সদস্য সনিয়া, যিনি উত্তর প্রদেশের সাহারানপুরে বালিয়াখেরির ব্লক চিফের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। তিনি ব্লগে বিজয় অর্জন করেছিলেন।মজার বিষয় হচ্ছে, সোনিয়ার স্বামী সুনীল কুমার একই ব্লকে সুইপার হিসাবে কাজ করেন।

 

এই দম্পতি নলহেরা গুজ্জর গ্রামে বাস করেন। সুনীল বালিয়াখারি উন্নয়ন ব্লকে সুইপার হিসাবে কাজ করেন।নির্বাচন যখন ঘোষিত হয়েছিল, তফশিলী জাতি বিভাগের জন্য সংরক্ষিত ব্লকের প্রধান পদ সুনীল তার স্ত্রীকে এলের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে উত্সাহিত করেছিলেন।

নালহেদা গুর্জার গ্রামের বাসিন্দা সুনীল কুমার, কর্মসূত্রে বালিয়াখোড়ায় সাফাই কর্মীর কাজ করেন। তাঁর স্ত্রী সোনিয়া বিএ পাশ করেছেন। ত্রি-স্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিডিসি আসনটি তফসিলি জাতির জন্য সংরক্ষিত হওয়ায়, সেই আসনে প্রতিদ্বন্ধিতা করেছিলেন সুশীলের স্ত্রী সোনিয়া।

ব্লক প্রধান পদ তফসিলি জাতির জন্য সংরক্ষণ থাকার কারণে বিজেপি নেতা তথা জেলা পঞ্চায়েত সদস্য মুকেশ চৌধুরী শিক্ষিত সোনিয়াকে বিজেপির তরফ থেকে প্রধান পদের প্রার্থী বানায়। মনোনয়ন জমা দেওয়ার পাশাপাশি ২৬ বছর বয়সী সোনিয়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ব্লক প্রধান নির্বাচিত হন।

 

নিজের এই সাফল্য স্বামী এবং পরিবারের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন সোনিয়া। ব্লক প্রধানের পদ পেয়ে তাঁর প্রধান ইচ্ছা গ্রামের উন্নয়ন করা। পাশাপাশি সোনিয়া নির্বাচনে জয়লাভ করলেও, সুশীলকে তাঁর চাকরী ছাড়তে না করেছেন সোনিয়া। কারণ তাঁর মত, স্বামীর উপার্জিত অর্থেই সংসার চলে। আর সুশীলও নিজের কাজ ছড়বেন না বলেই জানিয়েছেন।

 

ইতি মধ্যেই বঙ্গ রাজনীতিতে শোরগোল ফেলে দেওয়ার মতন একজন বিধায়ক হলেন বাঁকুড়া জেলার শালতোড়া চন্দনা বাউরী। যখন বিজেপি তাকে প্রার্থী করে তখন থেকেই সবার নজর কেড়েছিলেন তিনি। স্বামী রাজমিস্ত্রির কাজ করেন তিন সন্তান নিয়ে টালির চালায় তার সংসার। পান্তা খেয়ে ভোট প্রচার করেছেন তিনি। যেখানে অন্যান্য প্রার্থীরা বিলাসবহুল গাড়ি সহকারে প্রচারে নেমেছেন সেখানে চন্দনা বাউরী পায়ে হেঁটে ঘুরে গিয়ে প্রচার সেরে এসেছেন। তারপরই গোটা বঙ্গ রাজনীতির একজন মধ্যমণি হয়ে উঠেছেন চন্দনা বাউরী। যখনই তিনি কোন প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছেন তখনই বলেছেন আগে মানুষের জন্য কাজ তারপর নিজেরটা চিন্তা করা যাবে। যদিও তার দিন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থা কিন্তু যেভাবে তিনি মানুষের জন্য ভেবে যাচ্ছেন তা সত্যি অবিশ্বাস্য।

 

ঠিক এই সোনিয়ার মতন ছিল চন্দনা বাউড়ির সংসার। তাই বলা যায় যে এখানে একই রকম ভাবে দুই পরিবার কে বিজেপি নেতৃত্বেরা যে ভাবে তুলে এনেছেন তাতে ভারতে এক অনন্য নজির গড়তে চলেছে রাজনীতিতে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

শীর্ষ সংবাদ

অন্য রকম