Home আলিপুরদুয়ার রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পাচ্ছেন জাতীয় পুরষ্কার! খুশির হাওয়া আলিপুরদুয়ার শিক্ষক মহলে

রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পাচ্ছেন জাতীয় পুরষ্কার! খুশির হাওয়া আলিপুরদুয়ার শিক্ষক মহলে

সমাজে শিক্ষক ও শিক্ষিকার অসীম ভূমিকা। শিকক ও শিক্ষিকা কে মানুষ গড়ার কারিগর বলা হয়। শিক্ষক শিক্ষা দান করে ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষিত করে তোলেন। এবার শিক্ষাগত দিক দিয়ে আলিপুরদুয়ার জেলা খবরের পাতায় পৌঁছে গেল।

আলিপুরদুয়ার জেলার মাদারিহাট এর টোটো পাড়ার ধনপতি টোটো মেমোরিয়াল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মিশা ঘোষাল পেলেন জাতীয় শিক্ষক পুরুস্কার। টোটো পাড়া জঙ্গল পাহাড় , রাস্তা ঘাট খুব একটা ভালো নয় বর্ষা কালে তো ভীষণ অসুবিধা সেই জায়গায় মিশা দেবী শিক্ষকতা করেন। তিনি টোটোপাড়া ও মাদারিহাট এই দুই জায়গায় পর্যায়ক্রমিক ভাবে ঘর ভাড়া নিয়ে থাকেন। এইভাবে শিক্ষকতা করা সত্যিই ওতো সহজ কাজ নয় কিন্ত মিশা দেবী সেটা পেরেছেন।

তিনি নিপুন হাতে তার দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি মনে করেন এখনো তার অনেক কাজ করা বাকি আছে। মিশা দেবী আলিপুরদুয়ার জেলাকে সম্মানের চরম শীর্ষে পৌঁছে দিলেন। গোটা দেশের মধ্যে মোট ৪৭ জন শিক্ষক কে বেছে নিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রকের ডিপার্টমেন্ট অফ স্কুল এডুকেশন এন্ড লিটারেসি এই জাতীয় শিক্ষক পুরুস্কার দেওয়ার জন্য।

তার মধ্যে রাজ্যের ২ জন পেয়েছেন এই জাতীয় শিক্ষক পুরুস্কার। একজন হল আলিপুরদুয়ার জেলার মাদারিহাট এর টোটো পাড়ার ধনপতি টোটো মেমোরিয়াল হাই স্কুল এর শিক্ষক মিশা ঘোষাল ও আরেকজন পশ্চিম বর্ধমানের লাবরহাটের নেপালিপাড়া হিন্দি হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ড: কালিমুল হক। মিশা ঘোষাল এর জন্য সমগ্র জলপাইগুড়ি জেলা গর্বিত।

মিশা ঘোষাল আগে মালদার সাজাপুরে এসিস্টেন্ট টিচার ছিলেন। সেই চাকরি তিনি ২০০৮ সালে ছেড়ে দেন। তার পর তিনি এস এস সি পরীক্ষা দিয়ে তিনি টোটো পাড়ার হাইস্কুলে চাকরি পান। তিনি আজ তার শিক্ষকতার যোগ্য সন্মান পেলেন এই জাতীয় পুরুস্কার এর দ্বারা। জাতীয় শিক্ষককে সমগ্র দেশ শ্রদ্ধা জানায়। আলিপুরদুয়ার জেলা ধন্য হয়ে গেছে তার মতো এরকম একজন শিক্ষক কে পেয়ে। সমগ্র জেলাবাসী উচ্ছাসিত আজ মিশা দেবীর জাতীয় শিক্ষক পুরুস্কারে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

শীর্ষ সংবাদ

- Advertisement -

অন্য রকম