Home লাইফস্টাইল প্রকৃত স্বামী স্ত্রীর পাশে সর্বদাই থাকে! দেখুন কিভাবে

প্রকৃত স্বামী স্ত্রীর পাশে সর্বদাই থাকে! দেখুন কিভাবে

একটি মেয়ে বিয়ে করে অন্য পরিবারে সংসার করতে আসে। আর সেই সংসারকে নিজের মতো করে গড়ে তুলতে চায়। যার জন্য স্বামীর সহযোগিতার খুবই দরকার। কিন্তু বেশির ভাগ স্বামী বন্ধু হতে পারেনা। তারা শুধু স্বামী হয় , শুধুমাত্র স্বামীর অধিকারী স্থাপন করে।

স্বামী মানেই যে সব সময় খারাপ লোক, অত্যাচারী লোক এমন কিন্তু নয় কোন কোন স্বামী বন্ধু ও সহযোগীও হয়ে উঠে এবং অনুপ্রেরণা যোগায়। প্রত্যেক মেয়েদের স্বপ্ন থাকে তার স্বামী যেন খুব ভালো হয়। তাকে কাজে সহযোগিতা করে ও উৎসাহ যোগায় এবং অনেক কিছু আশা রাখে।

সবাইকে নিয়েই একটি পরিবার গঠিত হয়। একটি ছেলে সেই পরিবারের কারো ভাই, কারো দাদা, কারো ছেলে, কারো স্বামী, কারো বাবা হয়। স্ত্রীর সাথে সাথে প্রত্যেককে ভালো রাখার দায়িত্ব তার উপরে থাকে। কিন্তু স্ত্রীর সাথে পরিবারের কারো ঝামেলা হলে সে না স্ত্রীর দোষ দেখাতে পারে, না পরিবারের অন্যদের দোষ দেখাতে পারে। তখন সে স্ত্রীকে শুধু বোঝাতেই পারে অন্য জন তোমার থেকে কম বোঝে। তাই বলে কোনো স্ত্রীর স্বামীর প্রতি রাগ করা মানায় না। কারণ সেও একটি পরিবারের সদস্য। সংসারে অশান্তি সৃষ্টি হয় কেউ চায় না।

কিন্তু সবসময় সবার কাছে ভালো থাকতে গিয়ে কোন একজনের জীবন একেবারে বিষিয়ে দেওয়া মানে না। তবে মাঝে মাঝে সবাইকে ভালো রাখার জন্য প্রতিবাদ করা দরকার । যার দোষ নেই তার পাশেই দাঁড়ানো দরকার। তাহলেই সংসারের সুখ দেখা দেবে।

আমাদের সমাজের মানুষজন স্বামীকে একটু অন্য জায়গায় স্থান দিয়ে রেখেছি। অনেকে ভাবে একটি স্ত্রীর কর্তব্য স্বামীকে সব সময় যত্ন করা , তার প্রয়োজনীয় অপ্রজনীয় দিকে খেয়াল রাখা। আবার কোনো কোনো স্বামী ভাবে তাদের কাজ স্ত্রীকে একের পর এক হুকুম দেওয়া এবং আরও অনেক কিছু। কিন্তু এমনও কিছু কিছু স্বামী আছে যারা স্ত্রীর প্রকৃত বন্ধু ও সহযোগী হয়ে ওঠে। স্ত্রীর কাজকে সম্মান করে এবং উৎসাহ জায়গায়।

প্রত্যেক মেয়েরই বিয়ের পর প্রথমে সবার সাথে মানিয়ে নিতে অসুবিধা হয়। কিন্তু ধীরে ধীরে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এর পেছনে তার স্বামীর সহযোগিতা খুবই প্রয়োজনীয়।একজন প্রকৃত ভালো স্বামী কখনও স্ত্রীকে সন্দেহ করে না এবং দোষ ক্ষমা করে দেয়। সংসারে বিবাদ ঘটলে নিজে হার স্বীকার করতে জানে। একজন স্ত্রীর সাবলীল ভাবে গড়ে উঠতে তার স্বামীর দায়িত্ব সবথেকে বেশি থাকে।সে শুধু একজন স্বামীর দায়িত্বই নয় তার সাথে সাথে একজন বন্ধু, সহযোগীও হয়ে ওঠে এবং তার কাজে অনুপ্রেরণা যোগায়। একজন স্ত্রীর কাছে তার স্বামী হলো সর্বশক্তিমান। কোন স্ত্রী চায়না তার স্বামীকে কেউ খারাপ বলুক।

অনেক পরিবারের লোক বউদের বাইরে জব করাটা পছন্দ করেনা। যখন একটি বড় পরিবারের কারো বিয়ে হয় সেখানে তো কাজ ভাগ করা থাকে। যার যার কাজটাকে করতে হয় যতই জব করুক না কেন। কিন্তু কিছু কিছু পরিবার আছে যারা তাদের বাড়ির বউদের জব করতে উত্সাহ দেয়। সব মেয়ে এরকম ভাগ্যবতী হয় না।

সন্দেহ অশান্তির মূল কারণ একে অপরের কাছে কিছু লুকিয়ে না রাখাই ভালো। একটি সংসারের শান্তির জন্য স্ত্রীর সাথে সাথে স্বামীর বিশেষ খেয়াল রাখা দরকার।যখন একটি মেয়ে তার শ্বশুরবাড়ির পরিবারের লোকজনদের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে না, সে কিন্তু পুরোপুরি চেষ্টা করে মানিয়ে নেওয়ার।  সব স্ত্রী কেই খারাপ ভাবার কোনো কারণ নেই,সব স্ত্রীরা সংসার ভাঙ্গে না কেউ কেউ সংসার গড়তেও জানে। তার জন্য স্বামীদের স্ত্রীর পাশে থাকা খুবই দরকার।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

শীর্ষ সংবাদ

- Advertisement -

অন্য রকম