ইউক্রেন নিয়ে রুশ-মার্কিন যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি, ফোনে পরস্পরকে হুঁশিয়ারি বাইডেন-পুতিনের

রুশ-মার্কিন যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি ইউক্রেন নিয়ে

ইউক্রেন নিয়ে রুশ-মার্কিন যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি, ফোনে পরস্পরকে হুঁশিয়ারি বাইডেন-পুতিনের
রুশ-মার্কিন যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি

ইউক্রেন (Ukraine) নিয়ে আমেরিকা ও রাশিয়ার মধ্যে ক্রমেই উত্তেজনা বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার পরস্পরকে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন দুই দেশের দুই রাষ্ট্রনেতা। ফোনে প্রায় এক ঘণ্টা কথা হয় তাঁদের। সেই সময়ই রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে (President Putin) হুমকি দেন জো বাইডেন (Joe Biden)। বলেন, রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করলে তাঁরা কঠোর ব্যবস্থা নেবেন। যা শুনে পুতিনের জবাব, তেমন কিছু যদি করে আমেরিকা, তবে তা হবে মস্ত ভুল।

এর আগেও বাইডেন ও পুতিনের মধ্যে টেলিফোনে কথা হয়েছে। কিন্তু পরিস্থিতির কোনও সুরাহা হয়নি। সেই একই ছবি অব্যাহত বৃহস্পতিবারের ফোনালাপের পরেও। জানা যাচ্ছে, এদিন প্রায় ৫০ মিনিট কথা বলেন দু’জনে। হোয়াইট হাউস সূত্রে জানানো হয়েছে, স্থানীয় সময় দুপুর ৩টে ৩৫ নাগাদ কথা শুরু হয়েছিল দু’জনের। সেই সময় অবশ্য রাশিয়ার মধ্যরাত।

রুশ-মার্কিন যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি

গত কয়েক মাস যাবৎ ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে তুমুল লড়াই অব্যাহত মস্কোপন্থী বিদ্রোহী ও সরকারি বাহিনীর মধ্যে। এই পরিস্থিতিতে রাশিয়া ও আমেরিকার মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে শুরু করেছে। সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত দেশটির পূর্বাঞ্চলে ‘গণহত্যা’র অভিযোগ তুলেছেন পুতিন। এদিকে রুশ হামলা ঠেকাতে পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদমির জেলেন্সকির সঙ্গে ইতিমধ্য়েই ফোনে কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। পাশাপাশি ন্যাটো জোটের অন্তর্ভুক্ত ইউরোপের দেশগুলির রাষ্ট্রনায়কদের সঙ্গেও ফোনালাপ সেরেছেন তিনি।

এর আগেই বাইডেন স্পটান জানিয়েছিলেন, বিদেশি আগ্রাসনের পরিস্থিতিতে কিয়েভের পাশেই রয়েছে আমেরিকা। রাশিয়া নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করে জানিয়ে দাবি তুলেছে ইউক্রেনকে লিখিত প্রতিশ্রুতি দিতে হবে, ন্যাটোর সঙ্গে যুক্ত হবে না।

এই পরিস্থিতিতে ক্রমেই চিরকালীন বৈরিতার পথেই যেন ফের হাঁটতে শুরু করেছে ওয়াশিংটন ও মস্কো। সেই আঁচই যেন মিলল দুই দেশের রাষ্ট্রনায়কদের পারস্পরিক হুঁশিয়ারির মধ্যে দিয়েই।