সবার অজান্তে ইউক্রেন হামলার প্রস্তুতি শেষ রাশিয়ার , আগামী মাসে বাজতে পারে বিশ্বযুদ্ধের দামামা

সর্বশক্তি প্রয়োগ করতে চলেছে রাশিয়া। অন্তত ১০০টি Tactical group পাঠানো হচ্ছে ইউক্রেন সীমান্তে। মোতায়েন করা হবে অন্তত ১ লক্ষ ৭৫ হাজার সেনা জওয়ান।

সবার অজান্তে ইউক্রেন হামলার প্রস্তুতি শেষ রাশিয়ার , আগামী মাসে বাজতে পারে বিশ্বযুদ্ধের দামামা
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ

ইউক্রেনকে (Ukraine) কেন্দ্র করে আবারও সংঘাতের পথে হাঁটছে দুই মহাশক্তি রাশিয়া ও আমেরিকা। আর এই হামলার সাথেই বাজতে চলেছে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ

এহেন উত্তেজক পরিস্থিতিতে রাশিয়াকে ইউক্রেন থেকে দূরে থাকার হুঁশিয়ারি দিয়েছে আমেরিকা। মার্কিন বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন কড়া ভাষায় জানান, ইউক্রেনে আগ্রাসন চালালে গুরুতর ফল ভোগ করতে হবে মস্কোকে।” ফলে ইউক্রেন থেকেই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকদের একাংশ।

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সম্ভাবনা

যদি রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমন করে, তাহলে ইউক্রেনের সপক্ষে আমেরিকার যোগ দেয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা । আর চীন, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ডও তখন পিছিয়ে থাকবে না। তাই সেই মুহূর্তে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ এড়ানো সম্ভব না ।

শুধুমাত্র সেনা নয়, সীমান্তে গোলা-বারুদ, কামান-সহ একাধিক অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র মোতায়েন করতে চলেছে পুতিন সরকার। যদিও এ নিয়ে পেন্টগন সরাসরি কোনও মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। তবে ইউক্রেন নিয়ে রাশিয়ার আগ্রাসী মনোভাব চিন্তা বাড়িয়েছে বাইডেন প্রশাসনের।

একাধিক গোয়েন্দা রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, বর্তমানে ইউক্রেন সীমান্তে অন্তত ৫০টি ‘ট্যাকটিক্যাল গ্রুপ’ মোতায়েন রেখেছে রাশিয়া। রয়েছে সেনা জওয়ান এবং সামরিক ট্যাংক এবং অত্যাধুনিক কামানও। স্বাভাবিকভাবেই রাশিয়ার এই আগ্রাসী মনোভাব চিন্তা বাড়িয়েছে বিশ্বের। এই ইউক্রেনকে কেন্দ্র করে ফের বিশ্বযুদ্ধের দামামা বাজতে পারে বলেই আশঙ্কা।

প্রসঙ্গত, বেশ কয়েকবছর ধরে পূর্ব ইউক্রেনে সরকারি বাহিনী ও ‘রাশিয়ার মদতপুষ্ট’ বিদ্রোহীদের মধ্যে লড়াই চলছে। বিদ্রোহীরা ওই অঞ্চলকে ইউক্রেন থেকে পৃথক করে রাশিয়ার অংশ হিসেবে ঘোষণা করতে চায়। পরিস্থিতি আরও ঘোরাল হয়ে ওঠে ২০১৪ সালে। হামলা চালিয়ে ক্রিমিয়া দখল করে রাশিয়া। তারপর থেকেই অধুনা সোভিয়েত ইউনিয়ন-ভুক্ত দুই দেশের মধ্যে বিবাদ চরমে। এহেন পরিস্থিতিতে গত শুক্রবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেন্সকি অভিযোগ জানিয়েছেন যে মস্কো কলকাঠি নেড়ে তাঁর সরকারকে উপড়ে ফেলতে চাইছে।