Home রাজ্য কর্মীর মৃত্যুর প্রতিবাদে বিজেপি ডাকা বনধে অচল হলো কল্যাণী

কর্মীর মৃত্যুর প্রতিবাদে বিজেপি ডাকা বনধে অচল হলো কল্যাণী

বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার সকাল থেকে ১২ ঘণ্টার বনধ চলছে নদিয়ার কল্যাণীতে। বন্ধ দোকানপাট। রাস্তাঘাটে লোকজনের সংখ্যাও কম। সরকারি বাস চোখে পড়লেও বেসরকারি যানবাহন তুলনায় কম রাস্তায় নেমেছে। বনধকে কেন্দ্র করে যাতে কোনও রকম অশান্তির সৃষ্টি না হয় তার জন্য তৎপর পুলিশ প্রশাসন। অন্যদিকে এই ঘটনার প্রতিবাদে এদিন রাজ্যের সমস্ত থানা ঘেরাওয়ের কর্মসূচিও নিয়েছে বিজেপি।

এক বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে রবিবার ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় নদিয়ার গয়েশপুরে। মৃত বিজেপি কর্মীর নাম বিজয় শীল। ৩৫ বছরের বিজয় এলাকায় বিজেপির সক্রিয় কর্মী বলে পরিচিত। গয়েশপুর পুরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা তিনি। বিজয়কে খুন করা হয়েছে বলেই অভিযোগ করেছেন পরিবারের সদস্যরা। পাশাপাশি এই ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে বিজেপিও। টুইটে সরাসরি রাজ্যপালকে ট্যাগ করে তাঁর হস্তক্ষেপের দাবি করেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। সেইসঙ্গে তিনি লেখেন, ”ফের একই কায়দায় রাজ্যের এক বিজেপি কর্মী খুন হলেন, এবার নদিয়ার গয়েশপুরে। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে।” বিজেপি নেতা অরবিন্দ মেমনও টুইট করে ঘটনার তীব্র নিন্দা করেন। তিনি জানান, ”নদিয়ার গয়েশপুরে বিজেপির কর্মীকে খুন করা হয়েছে। তৃণমূলের গুণ্ডাবাহিনীর অত্যাচারে বাংলার মানুষের অবস্থা শোচনীয় হয়ে গেছে।” নিন্দায় সরব ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংও। তিনি বলেন,”আগে রামায়ণ ও মহাভারত দেখার জন্য টিভির সামনে সবাই বসতেন। এখন টিভি খুললেন বাংলার মানুষ রাজনৈতিক কর্মী হত্যার খবর পেয়ে থাকেন। নদিয়ায় বিজেপি কর্মী বিজয় শীলকে হত্যা করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, মৃত ব্যক্তি তাদের সমর্থক বলে দাবি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের। গয়েশপুর শহর তৃণমূল সভাপতি মিন্টু দে জানান, ”২০১৯ সালেও তৃণমূলের হয়ে পতাকা লাগানোর কাজ করেছেন বিজয় শীল। ওই যুবক তৃণমূল কর্মী। ঘটনাটি দেখে মনে হচ্ছে আত্মহত্যা। যদি অন্য কিছু হয়ে থাকে তাহলে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

শীর্ষ সংবাদ

- Advertisement -

অন্য রকম