Home অফবিট একের পর এক টুইটে ইসলামপন্থী দের প্রশ্নবানে জর্জরিত করলেন লেখিকা তসলিমা নাসরিন

একের পর এক টুইটে ইসলামপন্থী দের প্রশ্নবানে জর্জরিত করলেন লেখিকা তসলিমা নাসরিন

গত কয়েকদিন ধরে মহম্মদের ব্যাঙ্গচিত্রের আঁকার জন্য প্রকাশ্য রাস্তায় ইতিহাসের শিক্ষক স্যামুয়েল প্যাটির খুন হওয়ানিয়ে চেনা ছন্দে ধর্মান্ধদের আক্রমণ করেছেন ও কড়া ভাষায় ইসলামপন্থীদের নিন্দা করেছেন বাংলাদেশের নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন।

টুইট করে তসলিমা লিখেছেন, অনেক তরুণ মুসলমান ইসলাম নিয়ে সন্ত্রাসবাদী হয়ে উঠছে। সরকারকে মসজিদ ও মাদ্রাসা কেন্দ্রীক সন্ত্রাসীদের প্রজনন ক্ষেত্র নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগ নিতে হবে। মুসলমানদের শিখতে হবে কীভাবে সহিংসতার বিরোধিতা করা যায় এবং কীভাবে সহনশীল হতে হয়। তাদের অবশ্যই সভ্য হতে শিখতে হবে।

স্যামুয়েল প্যাটি

স্যামুয়েল প্যাটি

এখানেই শেষ হয়ে যায়নি ইসলাম নিয়ে তসলিমার সমালোচনা। তিনি মনে করেন “অনেক বোকা লোক মনে করে যে যারাই তাদের ধর্মের সমালোচনা করছে তাদের আক্রমণ করে বা হত্যা করে তারা তাদের ধর্মকে চিরকাল বেঁচে থাকতে পারে। আসলে তারা তাদের ধর্মের জীবনকে সংক্ষিপ্ত করে দেয়। আধুনিকতা, যৌক্তিকতা, মানবতা ভবিষ্যত।”

তসলিমা বলেছেন ,আমাদের তথাকথিত মধ্যপন্থী মুসলমানরা আর কতক্ষণ বলবে যে অবিশ্বাসীদের হত্যা করা সত্য ইসলাম নয়? সময় এসেছে স্বীকৃত সত্য ইসলাম। এবং তাদের অবশ্যই ইসলামের বর্বরতা প্রত্যাখ্যান করতে হবে।তিনি এও বলেছেন ইসলামী সন্ত্রাসীরা অমুসলিম এবং অবিশ্বাসীদের ক্ষতি করতে চায় তবে বাস্তবে তারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে ইসলাম ও মুসলমানদের। উন্মাদ ইসলামপন্থীদের জঘন্য কাজকর্মের কারণে সারা বিশ্ব জুড়ে ইসলাম ও মুসলমানদের ঘৃণা করা হয়।

প্যারিসের একটি স্কুলে পড়াতেন স্যামুয়েল প্যাটি নামের ওই নিহত শিক্ষক। ছাত্রদের ধর্মনিরপেক্ষতার পাঠ দিতে গিয়ে হজরত মহম্মদের একটি কার্টুন দেখিয়েছিলেন তিনি। আর এই ঘটনার জন্য তাঁর উপর হামলা চালায় ওই মৌলবাদী। শুক্রবার বিকেল ৫টা নাগাদ ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের রাস্তায় এক শিক্ষকের মাথা কেটে ফেলে এক যুবক। তাকে আটক করতে গেলে ধারালো অস্ত্র নিয়ে পুলিশ অধিকারিকদের প্রাণে মারার হুমকি দেয় সে। বাধ্য হয়ে শেষমেশ ওই ব্যক্তিকে গুলি করে নিকেশ করেন নিরাপত্তারক্ষীরা।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

শীর্ষ সংবাদ

- Advertisement -

অন্য রকম